Skip to Content
বিশেষ প্রয়োজনে বাংলাবাজার ওয়েব মিডিয়ার নিয়মিতকরণ হচ্ছে না. এ জন্য আমরা দুঃখিত. শুধু বাংলাবাজার স্পোর্টস বিভাগে নিয়মিতকরণ হচ্ছে.

১০ এপ্রিল ২০১৩ : নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর হাতে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে এগারতম ম্যাচ থেকে আই লিগ যাত্রা শুরু হয়েছিল মোহনবাগানের। আর শুরুতেই সালগাঁওকারের কাছে ০-২ গোলে হেরে হোঁচট খেতে হয়েছিল। তারপরেও ইউনাইটেড সিকিম ও প্রয়াগের সঙ্গে ড্র। মনে হচ্ছিল আর বোধহয় এই শতাব্দী প্রাচীন দলটি ছন্দ খুঁজে পাবে না। কিন্তু ও. এন. জি. সি. কে হারিয়ে এ যাত্রা প্রথম জয়ের মুখ দেখা এবং ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে ধীরে ছন্দে ফিরতে শুরু করে মোহনবাগান। কিন্তু বিশেষ করে ঘরের মাঠে গতবারের সেরা ডেম্পো এবং গোয়াতে গিয়ে ৫-১ গোলে স্পোর্টিং ক্লাব দ্য গোয়াকে বিধ্বস্ত করার পর দল যেন নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। সমর্থকরা আরও তেতে গেছেন দলের নয়নের মণি ওডাফা হ্যাটট্রিক সহ তিন গোল এবং ছন্দে না থাকা টোলগে দুই গোল করায়। আর এই উজ্জীবিত মোহনবাগান আজ ঘরের মাঠে মুম্বই এফ. সি.কে ৩-২ গোলে হারিয়ে এবারের আই লিগে প্রথম একটানা তিনটি ম্যাচ জিতে নিল।

পূর্ব লন্ডনের বার্কিং থেকে উঠে আসা বছর চোদ্দোর একটি তরুণ যোগ দিল চেলসির জুনিয়র টিমে। কেউ ভাবতেই পারেনি যে ছোট্ট ছেলেটির মধ্যে থাকবে লন্ডনের এই বিখ্যাত ক্লাবের সফলতম অধিনায়ক হওয়ার ক্ষমতা। যার নিঁখুত ট্যাকল এবং হেডারে বারবার বিপর্যস্ত হয় প্রতিপক্ষ, যার ঝুলিতে আছে ২০০৫,২০০৮, ও ২০০৯ সালের উয়েফা(UEFA) ক্লাব ডিফেন্ডারের সম্মান, চেক, ল্যাম্পার্ডের মত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সেই জন টেরিই চেলসি রক্ষণের মূল ভরসা।

৩২ বছর বয়সি এই ডিফেন্ডার তাঁর প্রিয় ক্লাবকে এনে দিয়েছেন তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, চারটি এফ-এ কাপ, ও একটি চ্যাম্পিয়ান্স লিগের খেতাব। চেলসির হাতে গোনা যে পাঁচজন খেলোয়াড় ৫০০টির বেশী ম্যাচ খেলেছে, তাদের মধ্যে টেরি অন্যতম। একধারে ক্লাবের ডিফেন্ডার হিসাবে সর্বাধিক গোলদাতা, আবার ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়দের দলে একমাত্র ইংরেজ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

১৮৯৬-এ গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে প্রথম আধুনিক অলিম্পিক্সে ৯টি খেলার অন্যতম ছিল কুস্তি। তবে ১৯০০ সালে প্যারিস দ্বিতীয় অলিম্পিক্সে কুস্তি ছিল না। তারপর থেকে শক্তি, বলবত্তা, ধৈর্য ও শারীরিক শৈলীর এই খেলাটি অলিম্পিক্সের আবশ্যিক খেলাগুলির অন্যতম। তাকে বাদ দেওয়া তো দূর অস্ত, একে ছেঁটে ফেলার চিন্তাও কেউ করেন নি।

কলকাতা, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৩: কয়েকবছর আগেও কোন প্রতিযোগিতায় ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান খেলা মানেই ছিল খেতাবের লড়াই। এখন চেহারাটা পাল্টেছে। ২০০৪ সাল থেকে কখনও কলকাতার কোন দল জাতীয় লীগ বা আই লীগ জেতে নি। মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল লড়াই অনেকটাই হারিয়েছে তার পুরোন জৌলুষ। তবু আজও আছে সে লড়াই ঘিরে উত্তেজনা, আছে সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা, কখনো উত্তেজনাও। কিন্তু আজ যে পটভুমিতে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ হল তেমন পরিস্থিতি আগে কখনো তৈরি হয় নি। ইস্টবেঙ্গলের সামনে ছিল খেতাবের দিকে এগোনর হাতছানি; আর মোহনবাগানের এখন যে কোনভাবে টিকে থাকার লড়াই।  ফলে আশা করা গিয়েছিল দু দলই জেতার জন্য মরীয়া হয়ে উঠবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা না হয়ে ম্যাচ গোলশূন্য। মুখ রক্ষা হল দু দলেরই। লক্ষ্য থেকে আরও পেছোতে হল না, এই ভেবেই স্বস্তিতে দুটি দলই।

নিজে একসময় বড় ক্লাবে খেলার সুযোগ পেলেও ফুটবলার বাস্তব রায় নিজের চোখে দেখেছেন কিভাবে সুযোগের অভাবে, পরিকাঠামোর দুর্বলতায়, সাংসারিক অনটনের ফলে বাংলার বহু ফুটবল প্রতিভা অকালে ফুটবল ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। আবার প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে পাদপ্রদীপের আলোয় আসতে পারে না।তাই খেলতে খেলতেই ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছিল- কীভাবে নিজের খেলোয়াড়ী জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের খেলোয়াড়দের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া যায়। সেই লক্ষ্যেই ২০০৮ সালে স্থাপিত হল ‘উত্তরপাড়া ফুটবল কোচিং সেন্টার'।

গান

সুদেষ্ণা রুদ্র সান্যাল

You may need: Adobe Flash Player.

banglabazar.co.in